তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা প্রতিনিধি।। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন- কৃষি জমিকে অবশ্যই সুরক্ষা করতে হবে। এর জন্য মন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। আবাদি জমিকে সুরক্ষা করতে হলে ভূমি জোনিংয়ের বিকল্প নেই। দেশে জনসংখ্যা বাড়লেও আয়তন বাড়ছে না। এর ফলে ক্রমশই কৃষি জমির পরিমাণ কমে আসছে। তিনি বলেন- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বচ্চতা ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাস করেন। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশে উর্ত্তীণ হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উর্ত্তীণ হতে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। দীর্ঘ ২১ বছর পর অনেক সংগ্রাম/লড়াইয়ের পর আ’লীগ ক্ষমতায় এসেছে। তিনি বলেন- আ’লীগ ক্ষমতায় আসলেই জনগণের ভাগ্যের উন্নতি হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন- একটি জাতি যদি অন্ধকারে থাকে সে জাতি ও দেশের কোন উন্নতি হয় না। আজকে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি মাথা উচু করে দাড়াতে পারছেনা, কারণ সঠিক পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন- মুক্তিযোদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। গতকাল বুধবার দুপুর ১টায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে “ভূমি জোনিং” বিষয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- ভূমি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ভূমি জোনিং প্রকল্প পরিচালক (অতিঃ সচিব) মোঃ কফিল উদ্দিন। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী আশ্রাফ ভূইয়া, কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মজিবুর রহমান, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আঃ রউফ, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সচিব হেলাল উদ্দিন, কুমিল্লা সদর (দঃ) উপজেলার চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, হোমনা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. আজিজুর রহমান মোল্লা ও এনজিও ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক লোকমান হাকিম প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর একান্ত সচিব প্রদীপ কুমার দাস, স্থানীয় সরকার কুমিল্লার উপ-পরিচালক এ. কে. এম মামুনুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আঃ মতিন ও এনডিসি রাকিব হাসানসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা’র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি)গণসহ জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিগণ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি মোঃ কফিল উদ্দিন বলেছেন- ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর চাহিদা মিটাতে গিয়ে দেশের ভূ-সম্পাদসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের অপরিকল্পিত ও যথেচ্ছ ব্যবহার হচ্ছে। দেশের ভূ-সম্পদ কৃষি, মৎস্য সম্পদ, বন, ঘর-বাড়ী, সামাজিক ও সেবামুলক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, শিল্প ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো নির্মাণ, পর্যটন ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভূমির এ ধরনের বহুমাত্রিক ব্যবহারের ফলে ভূমির ক্রমাগত হ্রাস/অবক্ষয়, ভূমির গুণগত মানের পরিবর্তন, ভূমির এক ধরনের ব্যবহার থেকে অন্য ধরনে রূপান্তর এবং আর্থ-সামাজিক বিরূপ পরিস্থিত সৃষ্টি হচ্ছে। উল্লেখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং ভূমির পরিকল্পিত ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ভূমি মন্ত্রণায় “ জাতীয় ভূমি জোনিং” প্রকল্প গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন- ভূমি অবক্ষয় জনিত এরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলার উদ্দেশ্যে ভূমি মন্ত্রণায় “ জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতি-২০০১ প্রণয়ন করেছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত কৃষি জমির সার্বিক পরিমাণ বিভিন্ন কারণে উদ্বেগজনকভাবে হ্রাস পাওয়ার বর্তমান ধারা প্রতিহত করা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জমির প্রকৃতিগত পার্থক্য অনুসারে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে “জোনিং” ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে অপরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকা সম্প্রসারণ, শিল্প স্থাপন ও বিপণন কর্মকান্ডের বর্তমান প্রক্রিয়া যুক্তিসংগতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় নদী, হাওড় বা সমুদ্রবক্ষে জেগে ওঠা চরভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণ করা, নদী ভাঙ্গন রোধ করা, পাহাড় টিলা ভূমি কর্তন প্রতিহত করাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য বহুতলবিশিষ্ট দালান নির্মাণের মাধ্যমে স্বল্প পরিমাণ জমির ব্যবহার নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন- ভূমির ব্যবহার যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সংগতিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিত করাসহ জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের ভূমি জোনিং প্রকল্পের পটভূমি, উদ্দেশ্য, কর্মপদ্ধতি, কার্যক্রম ও প্রত্যাশিত ফলাফল অবহিতকরণ, ভূমির অবক্ষয় রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মতামত সংগ্রহের জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ হাসানুজ্জামান কল্লোলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- ভূমি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ভূমি জোনিং প্রকল্প পরিচালক (অতিঃ সচিব) মোঃ কফিল উদ্দিন। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী আশ্রাফ ভূইয়া, কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মজিবুর রহমান, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আঃ রউফ, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সচিব হেলাল উদ্দিন, কুমিল্লা সদর (দঃ) উপজেলার চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, হোমনা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. আজিজুর রহমান মোল্লা ও এনজিও ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক লোকমান হাকিম প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর একান্ত সচিব প্রদীপ কুমার দাস, স্থানীয় সরকার কুমিল্লার উপ-পরিচালক এ. কে. এম মামুনুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আঃ মতিন ও এনডিসি রাকিব হাসানসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা’র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি)গণসহ জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিগণ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি মোঃ কফিল উদ্দিন বলেছেন- ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর চাহিদা মিটাতে গিয়ে দেশের ভূ-সম্পাদসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের অপরিকল্পিত ও যথেচ্ছ ব্যবহার হচ্ছে। দেশের ভূ-সম্পদ কৃষি, মৎস্য সম্পদ, বন, ঘর-বাড়ী, সামাজিক ও সেবামুলক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, শিল্প ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো নির্মাণ, পর্যটন ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভূমির এ ধরনের বহুমাত্রিক ব্যবহারের ফলে ভূমির ক্রমাগত হ্রাস/অবক্ষয়, ভূমির গুণগত মানের পরিবর্তন, ভূমির এক ধরনের ব্যবহার থেকে অন্য ধরনে রূপান্তর এবং আর্থ-সামাজিক বিরূপ পরিস্থিত সৃষ্টি হচ্ছে। উল্লেখিত সমস্যাসমূহ সমাধান এবং ভূমির পরিকল্পিত ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ভূমি মন্ত্রণায় “ জাতীয় ভূমি জোনিং” প্রকল্প গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন- ভূমি অবক্ষয় জনিত এরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলার উদ্দেশ্যে ভূমি মন্ত্রণায় “ জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতি-২০০১ প্রণয়ন করেছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত কৃষি জমির সার্বিক পরিমাণ বিভিন্ন কারণে উদ্বেগজনকভাবে হ্রাস পাওয়ার বর্তমান ধারা প্রতিহত করা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জমির প্রকৃতিগত পার্থক্য অনুসারে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে “জোনিং” ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে অপরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকা সম্প্রসারণ, শিল্প স্থাপন ও বিপণন কর্মকান্ডের বর্তমান প্রক্রিয়া যুক্তিসংগতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় নদী, হাওড় বা সমুদ্রবক্ষে জেগে ওঠা চরভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণ করা, নদী ভাঙ্গন রোধ করা, পাহাড় টিলা ভূমি কর্তন প্রতিহত করাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য বহুতলবিশিষ্ট দালান নির্মাণের মাধ্যমে স্বল্প পরিমাণ জমির ব্যবহার নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন- ভূমির ব্যবহার যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সংগতিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিত করাসহ জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের ভূমি জোনিং প্রকল্পের পটভূমি, উদ্দেশ্য, কর্মপদ্ধতি, কার্যক্রম ও প্রত্যাশিত ফলাফল অবহিতকরণ, ভূমির অবক্ষয় রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মতামত সংগ্রহের জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।


0 মন্তব্য(গুলি) :
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন