রেইসকোর্স প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হবে আগামী মার্চ মাসে।আর এরই মধ্যে কুমিল্লা জেলা ও শহর বিএনপির কমিটি ভেঙ্গে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হছে বলে জানা গেছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক ভাবে তেমন কিছু হয়নি। বেশীর ভাগ বিষয়গুলোই ধারনা বা নেতাকর্মীদের মুখ থেকে শুনা কথা। কমিটি কিভাবে হবে বা কি হবেনা তা বেশীর ভাগই নির্ভর করছে ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতাদের ইচ্ছার ওপর। তবে তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা কর্মীরা চান কমিটি গঠিত হোক পরীক্ষিত কর্মীদের দিয়ে। বিগত গত ২০১৩ সাল থেেেকএখন পর্যন্ত অনেক নেতাকর্মী মামলা হামলায় জর্জরিত হয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। অনেকে কারাগারে অন্তরিন রয়েছেন। আবার অনেকে মামলা ও হামলার কারণে এলাকায় াাসতে পারছেননা। এমনই একটি সময়ের মধ্যে হবে বিএনপির কাউন্সিল। কুমিল্লার রাজনীতির অবস্থা যতটা চাঙ্গা হওয়ার কথা বাস্তবে ঠিক ততটা পরিলক্ষিত নয়। মাটি ও মানুষের রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রাথমিক পর্যায়ে যতটা মানুষের মন জয় করেছিল তাতে ভাটা না পড়লেও ক্ষমতায় না আসায় ততটা অর্জন করতে পারেনি। মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে মাঠে না থাকলেও তবে কমিটি নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কুমিল্লা (দ.) জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতাকর্মীরা সক্রিয় অবস্থায় আছে। বিভিন্ন অভিযোগে মামলার খড়গ, নেতৃত্বের দুর্বলতা, আভ্যন্তরিক কোন্দল সহ নানা সমস্যায় স্মরণকালের চরম সংকটে পড়েছে এ দলটি। কোন্দলের কারণে খেসারত দিয়েছে জেলা বিএনপিকে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১০ সালে নগরীর লাকসাম রোডস্থ তৎকালীন রজনীগন্ধ্যা কমিউনিটি সেন্টারে। দীর্ঘ ৬ বছর পর কুমিল্লায় খালেদা জিয়ার আগমনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির বিবাদমান দুই প্রভাবশালী নেতা হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন ও সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় গ্র“পিংয়ে বিধ্বস্ত দলটি চাঙ্গা হতে শুরু করে।
একসময়ের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কুমিল্লা বিএনপি এখন অনেকটাই রাজনীতিশূন্য। জেলা ও মহানগর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৩ হাজার নেতাকর্মীর নামে মামলা রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকতে হিমশিম খাচ্ছে কুমিল্লা জেলা ও মহানগর বিএনপির। স্মরণকালের চরম সংকটের পরও কুমিল্লা জেলা ও মহানগর বিএনপির কমিটি ভেঙ্গে নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর কমিটি গঠন নিয়ে শীর্ষ পদে উঠতে বা আশানুরূপ পদ পেতে নেতারা তোড়জোড় লবিং শুরু করেছেন। কমিটিতে স্থান পেতে দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের বাড়িতে দলীয় নেতাকর্মীদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রেও পদপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। কুমিল্লায় দক্ষিণ জেলা ও মহানগরী কমিটি নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। কুমিল্লা মহানগরীর মধ্যে যারা রয়েছে তাদেরকে নিয়ে মহানগর ও উপজেলার নিয়ে জেলা কমিটি গঠন করা হবে বলে দলীয় একটি গোপন সূত্রে জানা যায়। আগামী মার্চে অনুষ্ঠিত বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটি গঠনেও বেশ তোড়জোর শুরু হয়ে গেছে। আরামের ঘুম হারাম হয়ে গেছে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের। সবাই নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ঠিক রাখার জন্য যে যেভাবে পারছে চালিয়ে যাচেছ লবিং। সবাই শীর্ষ দুই নেতার আর্শিবাদ পেতে অভিনব কৌশল অবলম্বন করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান। কেউ বা আবার প্রভাবশালী দুটি অঙ্গসংঠনের দুই শীর্ষ নেতার কাছেও সুপারিশ করার কথা বলেছেন।
এদিকে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্ভাব্য সভাপতি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ চৌধুরী ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুজ্জামান আমির। অন্যান্য পদে জোর লবিং চলছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী বলেন, যেহেতু মার্চে আমাদের জাতীয় কাউন্সিল হচেছ তাই স্বাভাবিক নিয়মেই এর আগেই সকল আহবায়ক কমিটি করা হবে। তবে আমাদের কমিটি কবে হবে এ ব্যাপারে এখনো আমাদের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
একসময়ের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কুমিল্লা বিএনপি এখন অনেকটাই রাজনীতিশূন্য। জেলা ও মহানগর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৩ হাজার নেতাকর্মীর নামে মামলা রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকতে হিমশিম খাচ্ছে কুমিল্লা জেলা ও মহানগর বিএনপির। স্মরণকালের চরম সংকটের পরও কুমিল্লা জেলা ও মহানগর বিএনপির কমিটি ভেঙ্গে নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর কমিটি গঠন নিয়ে শীর্ষ পদে উঠতে বা আশানুরূপ পদ পেতে নেতারা তোড়জোড় লবিং শুরু করেছেন। কমিটিতে স্থান পেতে দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের বাড়িতে দলীয় নেতাকর্মীদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রেও পদপ্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। কুমিল্লায় দক্ষিণ জেলা ও মহানগরী কমিটি নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। কুমিল্লা মহানগরীর মধ্যে যারা রয়েছে তাদেরকে নিয়ে মহানগর ও উপজেলার নিয়ে জেলা কমিটি গঠন করা হবে বলে দলীয় একটি গোপন সূত্রে জানা যায়। আগামী মার্চে অনুষ্ঠিত বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটি গঠনেও বেশ তোড়জোর শুরু হয়ে গেছে। আরামের ঘুম হারাম হয়ে গেছে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের। সবাই নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ঠিক রাখার জন্য যে যেভাবে পারছে চালিয়ে যাচেছ লবিং। সবাই শীর্ষ দুই নেতার আর্শিবাদ পেতে অভিনব কৌশল অবলম্বন করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান। কেউ বা আবার প্রভাবশালী দুটি অঙ্গসংঠনের দুই শীর্ষ নেতার কাছেও সুপারিশ করার কথা বলেছেন।
এদিকে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সম্ভাব্য সভাপতি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ চৌধুরী ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুজ্জামান আমির। অন্যান্য পদে জোর লবিং চলছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী বলেন, যেহেতু মার্চে আমাদের জাতীয় কাউন্সিল হচেছ তাই স্বাভাবিক নিয়মেই এর আগেই সকল আহবায়ক কমিটি করা হবে। তবে আমাদের কমিটি কবে হবে এ ব্যাপারে এখনো আমাদের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।


0 মন্তব্য(গুলি) :
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন